পুরোনো বই "আত্মার ভৌতিক জগতে ভ্রমণ"-এ, ড্রামের "ধুমধুম" শব্দটির রহস্য নিয়ে একটি গল্প লেখা আছে। সেখানে বলা হয়েছে, উপাসনা গৃহে দেবতাকে почитают করার সময় শব্দ শোনা যায় না, কিন্তু বাইরে গেলে শোনা যায়। বইটি এই বিষয়টিকে "শুভ তরঙ্গ এবং অশুভ তরঙ্গের সংঘর্ষের কারণে সৃষ্ট তরঙ্গের শব্দ" এবং "শুভ তরঙ্গ এবং অশুভ তরঙ্গের সংঘর্ষের শব্দ" হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। ড্রামের শব্দ শোনা যায়, অথবা পাথরের সাথে ধাক্কা লাগার ঢেউয়ের শব্দ "ঝড়" করে, কিন্তু সেই শব্দগুলো আত্মার উপর নির্ভর করে। শুভ আত্মার আবাসস্থলে অশুভ তরঙ্গের অনুপ্রবেশ আটকাতে এমন শব্দ তৈরি হয়।
শুভ তরঙ্গ সূক্ষ্ম কম্পন থেকে গঠিত, অন্যদিকে অশুভ তরঙ্গ স্থূল কম্পন থেকে তৈরি। প্রকৃতির কম্পন ধীর। তাই শুভ আত্মা অশুভ জগতে প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু অশুভ আত্মা শুভ জগতে প্রবেশ করতে পারে না। এখনকার শব্দからも এটা বোঝা যায় যে, অশুভ তরঙ্গ যখন শুভ তরঙ্গের কাছাকাছি আসে, তখন তা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আমরা যখন জীবিতদের দেখি, তখন তাদের কম্পনের ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে তাদের বিচার করি। একজন ব্যক্তি কতটা ভালো, তা সহজেই বোঝা যায়। (বইয়ের পৃষ্ঠা 40 থেকে)
বইটিতে "শূন্য" সম্পর্কে কিছু লেখা আছে, যা বৌদ্ধধর্মে বর্ণিত শূন্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে এক নয় কিনা, তা হয়তো বলা যায় না, তবে লেখার বিষয়বস্তু বেশ интересное। সেই বর্ণনার अनुसार, শূন্য জগৎকে কয়েকটি স্তর বা রূপে ভাগ করা যায়।
"শূন্য জল", "শূন্য আগুন", "শূন্য মাটি", "শূন্য আলো" এবং "শূন্য শূন্য" – এই স্তরগুলো রয়েছে, এবং শেষ "শূন্য শূন্য" হলো প্রকৃত শূন্য জগৎ। প্রথমে "শূন্য জল" হলো জলের বৈশিষ্ট্যযুক্ত "炁 (কি)", যা জলের মূল এবং আদিম উপাদান, যা সহজাতভাবে বিদ্যমান। এর বিপরীতে, "কি" হলো অর্জিত, যা সহজাত নয়, বরং изначально বিদ্যমান। এটি শরীর,幽体 এবং আত্মার ঊর্ধ্বে, যা হলো神体। এই "শূন্য"-এর মূল হলো "আদি"। এবং বইটিতে শূন্যের মূলকে এভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে:
"শূন্য থেকে অস্তিত্ব তৈরি হয়, এবং অস্তিত্ব থেকে শূন্য তৈরি হয়। (কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে)। শূন্য হলো সেই অস্তিত্ব, যা শূন্য নয়, এবং শূন্যও নয়। এটি হলো "অস্তিত্ব এবং অনুপস্থিতি"-র সমন্বিত রূপ। এটিকে "অস্তিত্বের জগৎ" এবং "সম্পূর্ণ রূপের জগৎ" বলা হয়। (কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে)। এখানে, 神-এর সাথে মিলিত হওয়া হলো সাধনার একটি অপরিহার্য শর্ত। সবকিছু শূন্য থেকে উৎপন্ন হয় এবং শূন্যে ফিরে যায়। (বইয়ের পৃষ্ঠা 209 থেকে)
এখানে যা ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা হলো, অস্তিত্ব হলো গতি, এবং অনুপস্থিতি হলো গতির পূর্ববর্তী অবস্থা। এবং শূন্য হলো সেই গতির অস্তিত্ব এবং অনুপস্থিতির দিক, যা প্রথমে অস্তিত্ব এবং অনুপস্থিতি রূপে পরিচিত হয়। কিন্তু আসলে, একটি আদিম জগৎ রয়েছে, যা হলো শূন্যের মূল, যেখানে অস্তিত্ব এবং অনুপস্থিতি একীভূত। অর্থাৎ, কোনো গতি না থাকলেও শূন্য বিদ্যমান। এবং যদি সেই গতিহীন জগৎই 神-এর মূল হয়, তাহলে এই গল্পটি বেশ সঙ্গতিপূর্ণ।
এটি বেশ স্পষ্ট একটি ব্যাখ্যা, এবং যদি শূন্য, অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের মধ্যে সম্পর্ক এত সরল এবং স্পষ্ট হয়, তাহলে বৌদ্ধ দর্শনের মতো বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা করে বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং সহজেই বিষয়টি বোঝা যায়।
এই ধরনের গল্প বিভিন্ন জায়গায় শোনা যায়, এবং একই ধরনের গল্পও যেমন আছে, তেমনই সামান্য ভিন্ন গল্পও রয়েছে। আমার মনে হয়, এই বিষয়ে তেমন কোনো ঐক্যমত্য নেই। তবে, এই স্পষ্ট ব্যাখ্যাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।
ভবিষ্যতে এর সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন, তবে এটি একটি সম্ভাব্য অনুমান, এবং এই ধরনের ব্যাখ্যা বিভিন্ন বিষয়কে একটি সরল রেখার মাধ্যমে সংযুক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।